চীনে উচ্চশিক্ষা: জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য

চীনে উচ্চশিক্ষা

তৃণভূমি, মরুভূমি, পাহাড়-পর্বত, নদী ও সমুদ্রে ঘেরা পূর্ব এশিয়ার দেশ চীন, যার অফিসিয়াল নাম ‘পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না’। দেশটির নাম শুনলেই যে কারো মাথায় শুরুতেই চলে আসে চীনের মহাপ্রাচীরের নাম। মহাপ্রাচীরের এই দেশটিই আজ বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার্থের আশায় থাকা শিক্ষার্থীদের অন্যতম লক্ষ্যস্থল। বর্তমান বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের পর সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য পাড়ি জমাচ্ছে এই চীনেই। ২০১৬ সালে শুধুমাত্র চীনেই সারা বিশ্ব থেকে পড়াশোনা করতে গিয়েছিল আনুমানিক ৪,৪০,০০০ শিক্ষার্থী।

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও পড়াশোনা ও গবেষণাকার্যে এখন পাশ্চাত্য দুনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে ভালোভাবে প্রতিযোগিতা করছে। তারা আছে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‍্যাংকিংয়ে আকর্ষণীয় অবস্থানে।

এক্ষেত্রে বেশ উদার ভূমিকা গ্রহণ করেছে চীনের সরকার। বিদেশী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে তাদের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চালু করা হয়েছে হাজার হাজার স্কলারশিপ ও ফান্ডিংয়ের সুবিধা। যারা চীনা ভাষা জানেন, বিশ্বজুড়ে তাদের কদর দিন দিন বেড়েই চলেছে।

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করলে আপনি যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন

১) মানসম্মত শিক্ষা: র‍্যাংকিংয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ধানই আপনি খুঁজে পাবেন চীনে। এখানে রয়েছে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার ব্যবস্থা, যাতে করে বিশ্বের সব দেশ থেকেই শিক্ষার্থীরা এখানে এসে পড়াশোনা করতে পারে। সেই সাথে শিক্ষার ক্ষেত্র বৃদ্ধি করতে আধুনিক বিশ্বের সকল ক্ষেত্র নিয়েই দেশটিতে পড়াশোনার লক্ষ্যে আপনি যেতে পারেন। এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শ্রেষ্ঠত্ব যেমন গোটা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত, তেমনই চাকরিদাতাদের কাছেও রয়েছে এখান থেকে বের হওয়া গ্র্যাজুয়েটদের বেশ কদর।

২) অগণিত অপশন থেকে বেছে নেয়ার সুযোগ: অতীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মূলত চীনের সাংহাই ও বেইজিং এই দেখা যেত। ২০০৬ সালের দিকেও দেশটির মোট বিদেশী শিক্ষার্থীর ৫০ ভাগই ছিল বেইজিং ও সাংহাইয়ে। কিন্তু এখন সময় পাল্টে গেছে। দেশটির সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কারণে এখন প্রচুর সংখ্যক বিদেশী শিক্ষার্থী পাড়ি জমাচ্ছে চীনে। এখন আপনি সেখানে অন্তত ২০,০০০ বিদেশী শিক্ষার্থী আছে এমন শহর খুঁজে পাবেন কম করে হলেও ৭টি! ১৩টি শহর আছে যেখানে বিদেশী শিক্ষার্থী আছে ১০,০০০ এর উপরে। এটাই বলে দেয় বর্তমানে বিদেশী শিক্ষার্থীদের কাছে চীনের গ্রহণযোগ্যতা কীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই সম্পর্কে।

৩) নেটওয়ার্কিং: চীনে যে বিশ্বের নানা দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনার উদ্দেশ্যে এখন আসছে সেই কথা তো আগেই বলা হয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যত জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় ও কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ার এক সুবর্ণ সুযোগ পাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের অধিবাসীদের সাথে একত্রে পড়াশোনা ও কাজ করার অভিজ্ঞতায় তাদের পেশাগত জীবনসহ নানবিধ ক্ষেত্রে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

৪) কাজের সুযোগ: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হলো চীন। দেশটির সরকার বিদেশী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে হাতে নিয়েছে নানাবিধ পরিকল্পনা, বাস্তবায়নও হচ্ছে এসব বেশ চমৎকারভাবে। এখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম কাজের সুযোগও পায়, যার মাধ্যমে তাদের থাকা-খাওয়া ও পড়াশোনার খরচ উঠে আসে। এতে করে পাস করে বের হওয়ার পর পার্ট-টাইম কাজের অভিজ্ঞতা অনেকের জন্যই বেশ বড় প্লাস পয়েন্ট হিসেবে দেখা দেয়, আলাদা করে তোলে অন্য চাকরিপ্রার্থীদের থেকে অনেক দিক দিয়েই। ভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা ও পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নতুন এই চাকরির অভিজ্ঞতা আপনাকে চাকরিদাতাদের কাছে নিঃসন্দেহে যোগ্যতর প্রার্থী হিসেবে ফুটিয়ে তুলবে। আর চীনে থাকাকালে আপনি যদি মান্দারিন ভাষাটাও শিখে নিতে পারেন, তাহলে তো সোনায় সোহাগা! এটা চীনের চাকরির বাজারে আপনাকে অনেক সুবিধা এনে দেবে।

৫) সংস্কৃতির মিলনমেলা: পড়াশোনার উদ্দেশ্যে চীনে গমন আপনাকে শুধু যে পাঠ্যবই ও গবেষণার জ্ঞানে সমৃদ্ধ করবে তা না, বরঞ্চ আপনার জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে দেশটির ৫ হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে। দেশটির মেগাসিটিগুলোর মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতিসহ নানাদিক আপনাকে সবকিছুই নতুন করে বুঝতে শেখাবে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে বসবাসের এই সময়টুকু আপনাকে দেবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা, যা আপনি বিশ্বের আর কোনো জায়গাতেই খুঁজে পাবেন না।

৬) ভ্রমণ: চীন এতটাই সুবিশাল একটি দেশ যে এখানে আপনি আবহাওয়া, সংস্কৃতি, ভূ-প্রকৃতিসহ নানাবিধ বিষয়ের মাঝে বিদ্যমান বৈচিত্র দেখে অবাক না হয়ে পারবেন না। সমুদ্রের বুকে সাঁতার কাটা, পাহাড় বেয়ে ওঠা, মরুর বুকে চড়ে বেড়ানো, বরফের উপর স্কি করে বেড়ানো- কী নেই সেখানে! নিঃসন্দেহে সেখানকার সময়গুলো আপনাকে প্রাচীন ও আধুনিক জীবনযাত্রার মিশেলে এক অনন্য অভিজ্ঞতার সন্ধান দেবে।

টিউশন ফি

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

চীনের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে গড়ে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়

চীনে যেমন তাদের নিজেদের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে, তেমনই বিভিন্ন আমেরিকান ও ব্রিটিশ ইউনিভার্সিটিরও লোকাল ক্যাম্পাস আছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ বছরে সাড়ে ৬ লাখ টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

থাকা-খাওয়ার খরচ

ইউরোপের বিভিন্ন দেশ কিংবা আমেরিকার সাথে তুলনা করলে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে থাকা-খাওয়ার কাজটি বেশ সাশ্রয়ী মূল্যেই সারা যায়।

বাসস্থান

  • শিক্ষার্থীদের হলে থাকতে গেলে মাসিক খরচ ১২ হাজার টাকার মাঝেই হয়ে যাবে। এসব ক্ষেত্রে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে ২৫ হাজার টাকা মতো জমা দেয়া লাগে।
  • চাইলে কেউ কোনো বাসা ভাড়া নিয়েও থাকতে পারে। এসব ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা কয়েকজন একসাথে বাসা ভাড়া নেয় যাতে করে খরচ কম পড়ে। পানি, বিদ্যুত ও গ্যাস বিল হিসেবে মাসে ৪ হাজার টাকার কাছাকাছি খরচ হতে পারে।

খাবার

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন, স্থানীয় কোনো ছোট দোকান বা ফাস্ট ফুড চেইন শপে খেতে গেলে খরচ পড়বে ৮০ থেকে ৩৫০ টাকার ভেতরে। স্থানীয় সুপার মার্কেটগুলো থেকে বাজার করলে মাসে এ বাবদ ১০-১২ হাজার টাকার মতো খরচ হবে। অর্থ সাশ্রয়ের জন্য নিজে রেঁধে খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ফ্রেশ মার্কেটগুলো থেকে ব্যাগভর্তি শাকসবজি, ফলমূল নিয়ে আসা যাবে মাত্র দু-তিনশ টাকার ভেতরেই।

যাতায়াত

চীনের যাতায়াত ব্যবস্থা যেমন বেশ ভালো, তেমনই বেশ সাশ্রয়ী। এখন চলুন বিভিন্ন যানবাহনে খরচ কেমন হতে পারে সেই সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক:

  • মেট্রো: ৪০ টাকা (প্রায়)
  • ট্যাক্সি/কি.মি: ৩০ টাকা (প্রায়)
  • সিটি বাস: ২৫ টাকা (প্রায়)
  • পাবলিক ট্রান্সপোর্টে স্টুডেন্ট পাস থাকলে মাসে তাতে খরচ হবে মাত্র ১৩০০ টাকা

অন্যান্য খরচ

  • বই ও কোর্সের অন্যান্য জিনিসপত্র কিনতে প্রতি সেমিস্টারে আড়াই থেকে চার হাজার টাকার মতো খরচ হতে পারে
  • ৬ মাসের মেডিকেল ইনস্যুরেন্স বাবদ খরচ পড়বে প্রায় ৫ হাজার টাকা

স্কলারশিপ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে চীনা সরকার প্রচুর পরিমাণে স্কলারশিপের ব্যবস্থা করেছে, যেগুলো আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট লেভেলে টিউশন ফি’র জন্য ফুল ও পার্শিয়াল ফান্ডিংয়ে দেয়া হয়ে থাকে। এর মাঝে রয়েছে-

  • চীনা সরকারের স্কলারশিপ, যা দেশটির যেকোনো ডিগ্রি লেভেলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আসা মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেয়া হয়ে থাকে।
  • সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্টাডি প্রোগ্রামের স্কলারশিপ।

ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব শিক্ষার্থী চীনে পড়তে যায়, তাদেরকে চীনা সরকার এবং তারা যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আগ্রহী উভয় পক্ষেরই নির্ধারিত শর্তগুলো পূরণ করে এরপর পড়াশোনা করতে যেতে হয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সসীমা

১) যারা ব্যাচেলর ডিগ্রির জন্য আবেদন করবেন, তাদেরকে কমপক্ষে এইচএসসি পাস করতে হবে এবং বয়স হতে হবে অনূর্ধ্ব ২৫ বছর।

২) যারা মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য আবেদন করবেন, তাদেরকে ব্যাচেলর ডিগ্রি পাস করতে হবে এবং বয়স হতে হবে অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর। সেই সঙ্গে তারা যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন, সেখানকার দুজন প্রফেসর কিংবা অ্যাসোসিয়েট প্রফেসরের কাছ থেকে রিকমেন্ডেশন লেটারও নিয়ে যেতে হবে।

৩) যারা ডক্টরাল ডিগ্রির জন্য আবেদন করবেন, তাদেরকে মাস্টার্স ডিগ্রি পাস করতে হবে এবং বয়স হতে হবে অনূর্ধ্ব ৪০ বছর। সেই সঙ্গে দুজন প্রফেসর কিংবা অ্যাসোসিয়েট প্রফেসরের কাছ থেকে রিকমেন্ডেশন লেটারও নিয়ে যেতে হবে।

ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

১) আবেদনকারীকে কোনোভাবেই চীনের নাগরিক হওয়া চলবে না।

২) শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

৩) আবেদনকারীকে অবশ্যই চীন সরকার এবং যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার জন্য আবেদন করেছে সেখানকার নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।

৪) অতীত শিক্ষাগত রেকর্ড ভালো হতে হবে।

৫) কোনো অপরাধের রেকর্ড থাকা চলবে না

৬) যেসব ডিগ্রির প্রোগ্রাম মান্দারিন চীনা ভাষায় পড়ানো হয়, সেসবে আবেদন করলে আবেদনকারীকে HSK রেজাল্ট দেখাতে হবে যাতে করে চীনা ভাষায় তার দক্ষতা সম্পর্কে জানা যায়।

৭) যেসব প্রোগ্রামে ইংরেজিতে পাঠদান করা হয়, সেগুলোর জন্য HSK রেজাল্টের পরিবর্তে IELTS বা TOEFL এর রেজাল্ট দেখাতে হয়। অবশ্য সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এগুলোও দেখতে চায় না। তার শিক্ষার্থীর পূর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখেই ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

এমবিবিএস প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য যোগ্যতা

১) আবেদনকারীর বয়স ১৮-২৫ বছরের মাঝে হতে হবে।

২) শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

৩) বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের বেলায় এইচএসসি-তে জিপিএ লাগবে কমপক্ষে ৪.৯ বা তদূর্ধ্ব।

৪) পড়াশোনা ও থাকা-খাওয়ার খরচ চালানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে।

৫) পাঠ্যবিষয় হিসেবে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও ইংরেজি অবশ্যই থাকতে হবে।

স্কলারশিপের জন্য যোগ্যতা

১) আবেদনকারীর ফলাফল অনেক ভালো হতে হবে।

২) একটি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করার সময় অন্য কোনো স্কলারশিপ চালু থাকা যাবে না।

৩) TOEFL বা IELTS এ ভালো স্কোর এবং সেই সাথে কো-কারিকুলার কাজকর্মের সাথে যুক্ত থাকলে সেটা শিক্ষার্থীর জন্য ইতিবাচক বিষয় হিসেবে কাজ করবে।

৪) আবেদনকারীকে নিজের জীবনবৃত্তান্ত (CV) জমা দিতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা

১.

ফল (Fall) সেমিস্টার: সেপ্টেম্বর থেকে শুরু
ডকুমেন্ট জমাদান: ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই
স্কলারশিপের জন্য ডকুমেন্ট জমাদান: ফেব্রুয়ারি থেকে মে
ফলাফল ঘোষণা: জুলাইয়ের শেষ থেকে আগস্ট
রেজিস্ট্রেশন ও ক্লাস শুরু: সেপ্টেম্বর থেকে

২.

স্প্রিং (Spring) সেমিস্টার: মার্চ থেকে শুরু
ডকুমেন্ট জমাদান: অক্টোবর থেকে জানুয়ারি
স্কলারশিপের জন্য ডকুমেন্ট জমাদান: এই সেমিস্টারে কোনো স্কলারশিপ পাওয়া যায় না
রেজিস্ট্রেশন ও ক্লাস শুরু: মার্চ থেকে

চীনে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে গেলে আপনি জীবনে অসাধারণ এক অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার গড়ে তুলতে পারবেন, যা সমৃদ্ধ করবে এই আপনাকেই। ঠিকঠাক মতো শিক্ষাজীবন শেষ করে চাইলে আপনি সেখানেই গড়ে তুলতে পারেন আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার।

ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ প্রোগ্রামে চীনে মাস্টার্স ও পিএইচডির সুযোগ!!!

সুবিধাসমূহ
• টিউশন: ফ্রি
• হোস্টেল: ফ্রি
• মাসিক থাকা-খাওয়ার ভাতা: ১৪,৫০০ – ২০,৫০০ টাকা/মাস (মাস্টার্স) & ২৪,২০০ টাকা/মাস (পিএইচডি)
• পড়াশোনার ভাষা: ইংরেজি

মাস্টার্স মেজর
👉 Mechanical engineering
👉 Electrical Engineering
👉 Hydrology & Water Resources
👉 Information & Communication Engineering
👉 Computer Science and Technology
👉 Power Engineering & Engineering Thermophysics
👉 Control Science & Engineering
👉 Chemical Engineering & Technology
👉 Civil Engineering

পিএইচডি-তে প্রায় সকল বিষয়েই গবেষণার সুযোগ রয়েছে

✅ ১০০% ভর্তির নিশ্চয়তা
✅ বয়সসীমা: ৩০ বছর (মাস্টার্স) এং ৩৫ (পিএইচডি)

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
১. পাসপোর্টের ইনফরমেশন পেজ
২. পাসপোর্ট সাইজের ডিজিটাল ইমেজ
৩. অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটের নোটারি কপি (সিজিপিএ ৩.৫)
৪. অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের নোটারি কপি (সিজিপিএ ৩.৫)
৫. স্টাডি প্ল্যান (কমপক্ষে ১০০০ শব্দ)
৬. ২টি রিকমেন্ডেশন লেটার (প্রফেসর বা অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর কর্তৃক স্বাক্ষরিত)
৭. স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট
৮. ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণপত্র বা IELTS টেস্টের নাম্বার
৯. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
১০. পাবলিশ হওয়া অ্যাকাডেমিক পেপার/থিসিস পেপার
১১. ২-৩ মিনিটে আবেদনকারীর পরিচিতিমূলক ভিডিও (৫ মেগাবাইট সাইজ)
১২. ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
১৩. সিভি

আবেদনের শেষ সময়: মার্চ ২০২০

বি.দ্র: ক্লাস শুরু হবে সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে

আকর্ষণীয় সব প্যাকেজে চীনে উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা আছে ওয়াইএসআই বাংলা লিমিটেডে। আমাদের সাথে যোগাযোগের জন্য পূরণ করে ফেলুন নিচের ফর্মটি:

 

যেকোনো বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে: +8801685456708

Comments
Comments

Comments are closed.