মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা: কেন যাবেন, কীভাবে যাবেন

মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা

দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে পড়তে যাবার ইচ্ছার পেছনে লাগে উচ্চশিক্ষার তীব্র আকাঙ্ক্ষা, লাগে চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মানসিক দৃঢ়তা। কিন্তু একবার আপনি যদি এই সিদ্ধান্তটি নিয়েই নেন এবং সেই মোতাবেক বাইরে পড়াশোনার জন্য চলেও যান, তবে আপনাকে বাহবা দিতেই হবে, কারণ আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়ার জন্য নিঃসন্দেহে অসাধারণ একটি সিদ্ধান্তই নিয়েছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত একটি উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হলো মালয়েশিয়া। বিশ্বের শীর্ষ ২০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে রয়েছে দেশটির বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সেখানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশ থেকে ১ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

শতাধিক স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসব শিক্ষার্থীর জন্য ১৫০টির বেশি কোর্স অফার করে রেখেছে। আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর চাইতে বেশ কম খরচেই এখানে শিক্ষালাভের কাজটি আপনি সেরে নিতে পারবেন।

আজকের এই লেখার শুরুতেই তাই চলুন জেনে নেয়া যাক কেন উচ্চশিক্ষার জন্য আপনি মালয়েশিয়ার মতো একটি চমৎকার দেশকে বেছে নেবেন তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

যেসব কারণে উচ্চশিক্ষার জন্য বেছে নেবেন মালয়েশিয়াকে

১) উন্নত মানের উচ্চশিক্ষার দ্রুত বিস্তার: এশিয়ার অন্যান্য উন্নত দেশের মতো মালয়েশিয়াতেও উন্নত মানের উচ্চশিক্ষার দ্রুত বিস্তার ঘটছে। ফলে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সফলতা ও শীর্ষস্থান লাভের বিষয়টি চোখে পড়ার মতো। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এমন উন্নত মানের কোর্সও দিচ্ছে যেগুলো বিশ্বের শীর্ষ ১০০ কোর্সের তালিকায় রয়েছে। এর পেছনে অন্যতম বড় কৃতিত্ব দেশটির শিক্ষার ব্যবস্থার, কারণ তারা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। শিক্ষার মান নিয়মিতভাবেই পর্যবেক্ষণ করতে মালয়েশিয়ার মিনিস্ট্রি অফ হায়ার এডুকেশন, যারা তাদের দেশকে মানসম্মত উচ্চশিক্ষার একটি কেন্দ্রে পরিণত করতে বদ্ধপরিকর।

২) বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে পার্টনারশিপ: বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এখন মালয়েশিয়াতে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। বিশেষত অস্ট্রেলিয়ান ও ব্রিটিশ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ই এ কাজ করেছে। উদাহরণস্বরুপ, মোনাশ ইউনিভার্সিটি (অস্ট্রেলিয়া) ও ইউনিভার্সিটি অফ নটিংহ্যাম (যুক্তরাজ্য), দুটো বিশ্ববিদ্যালয়ই বিশ্বের সেরা ১০০ এর ভেতরে রয়েছে। তাদেরও মালয়েশিয়াতে ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাস রয়েছে। মালয়েশিয়ার কেবিইউ ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সাথে পার্টনারশিপ রয়েছে যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিয়া রাস্কিন, নটিংহ্যাম ট্রেন্ট ও শেফিল্ড হলাম ইউনিভার্সিটির।

এভাবে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে থাকা নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাস মালয়েশিয়াকে বিদেশী শিক্ষার্থীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় এক উচ্চশিক্ষার গন্তব্যস্থলে পরিণত করেছে।

৩) সহনীয় খরচ: মালয়েশিয়াতে পড়াশোনা ও থাকা-খাওয়ার খরচ অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্যের সাথে তুলনা করলে বেশ সাশ্রয়ী। ইউনিভার্সিটি অফ নটিংহ্যামের যুক্তরাজ্যের ক্যাম্পাসে একটি কোর্স করতে যে খরচ পড়বে, সেই একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মালয়েশিয়ান ক্যাম্পাসে কোর্সটি প্রায় অর্ধেক খরচে শেষ করা সম্ভব। দুই ক্ষেত্রেই কোর্সের কারিকুলাম থাকছে একই, পরীক্ষণ পদ্ধতি ও নাম্বার প্রদানের নিয়মও একই থাকছে। ফলে যুক্তরাজ্য আর মালয়েশিয়ার এই দুই ডিগ্রির মানের মাঝে আসলে কোনো পার্থক্যই থাকছে না। বরঞ্চ খরচও যাচ্ছে অনেকটা কমে।

পাশাপাশি মালয়েশিয়াতে থাকা-খাওয়ার খরচটাও যেকোনো বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর একেবারেই হাতের নাগালেই আছে। ফলে টাকা-পয়সা নিয়ে এতটা চিন্তার দরকারও নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে মালয়েশিয়ায় ১ বছরে পড়াশোনার তুলনামূলক খরচ কেমন হবে বুঝতে নিচের টেবিলটি দেখুন।

৪) কাজের সুযোগ: মালয়েশিয়াতে অধ্যয়নরত বিদেশী শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা করে কাজের অনুমতি পায়। এই সময়ে তারা মিনি মার্কেট, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, ক্যাফে এবং পেট্রোল পাম্পগুলোতে কাজ করতে পারে।

পাস করার পর শিক্ষার্থীদের কাজের পরিসীমা অনেক বৃদ্ধি পায়। ট্যালেন্টকর্পের Critical Occupation List (COL) 2016/2017 এবং ইনস্টিটিউট অফ লেবার মার্কেট ইনফরমেশন এন্ড অ্যানালাইসিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে এই কোর্সগুলো শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের প্রবেশের সময় আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়ার ইঙ্গিত দেয়:

  • ইঞ্জিনিয়ারিং: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার, টেলিকমিউনিকেশন্স ইঞ্জিনিয়ার, কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স ইঞ্জিনিয়ার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রসেস ইঞ্জিনিয়ার।
  • ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি: সিস্টেমস অ্যানালিস্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপার, ডেটাবেজ অ্যানালিস্ট, নেটওয়ার্ক অ্যানালিস্ট, টেকনিক্যাল হেল্পডেস্ক অ্যানালিস্ট এন্ড টেস্ট ইঞ্জিনিয়ার।
  • বিজনেস ম্যানেজমেন্ট: সেলস ম্যানেজার, মার্কেটিং ম্যানেজার, ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজার।
  • ফাইন্যান্স: রিসার্চ অ্যানালিস্ট, কর্পোরেট ফাইন্যান্স অ্যাডভাইজর, ফাইন্যান্সিয়াল প্ল্যানার এবং ফাইন্যান্সিয়াল এক্সিকিউটিভ।
  • অ্যাকাউন্টিং: অডিটর, ট্যাক্স কনসালটেন্ট, ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রোলার, ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট এবং জিএসটি স্পেশালিস্ট।
  • কমিউনিকেশন্স: কমিউনিকেশন্স ম্যানেজার, প্রডিউসার, স্ক্রিপ্ট রাইটার এবং কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার।
  • লজিস্টিকস এন্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট: লজিস্টিক্স ম্যানেজার, সাপ্লাই ম্যানেজার, ওয়্যারহাউজ ম্যানেজার, ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার এবং প্রকিউরমেন্ট অফিসার।
  • গ্রাফিক ডিজাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া: ওয়েব ডিজাইনার, গ্রাফিক ডিজাইনার এবং থ্রিডি আর্টিস্ট।
  • আর্কিটেকচার: ইন্টেরিয়র ডিজাইনার এবং আর্কিটেক্ট।
  • অ্যাকচুয়ারিয়াল সায়েন্স: অ্যাকচুয়ারিয়াল সায়েন্স ম্যাথমেটিশিয়ান, প্রোডাক্ট অ্যাকচুয়ারি, ডাটা সায়েন্টিস্ট এবং প্রেডিক্টিভ অ্যানালিস্ট

৫) সহজসাধ্য ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া: বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় মালয়েশিয়ায় পড়তে আগ্রহী বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া অনেক সহজ।

৬) সামাজিক নিরাপত্তা: বিশ্বে সামাজিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দিক দিয়ে বেশ এগিয়ে থাকা একটি দেশ হলো মালয়েশিয়া। সেই সাথে দেশটিতে সংঘটিত অপরাধের হারও বেশ কম। এখানকার আবহাওয়া যেমন চমৎকার, তেমনই আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সহনীয় মাত্রার।

৭) সংস্কৃতির মিলনমেলা: মালয়েশিয়ার জনগণ অন্যান্য দেশের নাগরিকদের প্রতি বেশ শ্রদ্ধাশীল ও বন্ধুভাবাপন্ন। সেই সাথে এখানে এসে মিলিত হয় বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা নানা বর্ণ-ধর্ম-মতের মানুষ। ফলে দেশের মাঝেই যেন ছোট একটি পৃথিবীর সন্ধান পায় মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বিদেশী শিক্ষার্থীরা।

৮) ভাষা কোনো বাধা নয়: মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা হলো মালয় ও ইংরেজি। অন্যান্য ভাষার মাঝে আছে মান্দারিন, ক্যান্টোনিজ, হিন্দি, তেলেগু, মালয়ালাম এবং তামিল। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনার মাধ্যম ইংরেজি। ফলে বিদেশী শিক্ষার্থীদের লেকচার বুঝতেও কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না। আবার কারও যদি ইংরেজিতে দুর্বলতা থাকে, তবে তাদের জন্যও আছে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যাতে করে তারা তাদের উন্নতির ঘটাতে পারে।

জীবনযাত্রার খরচ

মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষার্থে আসা শিক্ষার্থীদের অন্যতম বড় সুবিধা হলো দেশটির সহনশীল জীবনযাত্রার খরচ। এখানে আপনি ক্যাম্পাসে বা ক্যাম্পাসের বাইরে যেখানেই থাকুন না কেন, জীবনযাত্রার খরচ হবে আপনার সাধ্যের সীমার মাঝেই।

এটা ঠিক যে আপনার খরচাপাতি কেমন হবে তা পুরোপুরিই নির্ভর করছে আপনি কোন এলাকায় থাকছেন এবং আপনার লাইফস্টাইল কেমন তার উপর, তবে আপনি জেনে খুশি হবেন যে, ২০১৪ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য খরচাপাতির হিসাবে সবচেয়ে সহজসাধ্য শহর হিসেবে উঠে এসেছিল কুয়ালা লামপুরের নাম। এ থেকেই দেশটিতে শিক্ষার্থীদের খরচ সম্পর্কে একটি আইডিয়া পাওয়া যায়।

১) বাসস্থান: মোটামুটি ৮-১০ হাজার টাকার ভেতরেই থাকার বিষয়টি সেরে ফেলা যাবে। ভাড়া কেমন হবে তা নির্ভর করছে এলাকা, বাসস্থানের ধরন (স্টুডেন্ট হল, ক্যাম্পাসের বাইরের কোনো এপার্টমেন্ট, একতলা বাড়ি, দোতলা বাড়ি প্রভৃতি), বাসায় থাকা সুবিধাদি, এবং অবশ্যই কতজন মিলে একসাথে থাকছে তার উপর।

২) খাওয়াদাওয়া ও হাউজকিপিং: এই উদ্দেশ্যে আপনার মাসে ১২ হাজারের মতো খরচ পড়বে। এক্ষেত্রে ধরা হয়েছে যে, আপনি দিনে তিনবেলা করে খাবেন যেখানে প্রতিদিনের খরচ পড়বে ৩৫০ টাকার কাছাকাছি। তবে আপনি নিজেই যদি রান্না করেন এবং খাবারের খরচ ফ্ল্যাটের অন্যান্য বন্ধুদের সাথে ভাগাভাগি করে নেন, তাহলে খরচ আরও কম হবে।

৩) কাপড়চোপড় ও লন্ড্রি: কাপড় ধোয়া, আয়রন করা ও ড্রাই-ওয়াশিং এর জন্য মাসে এক-দেড় হাজারের মতো খরচ ধরে রাখতে পারেন।

৪) পাবলিক ট্রান্সপোর্ট: যারা ক্যাম্পাসেই বা ক্যাম্পাসের কাছাকাছি থাকেন, তাদের জন্য ক্লাসে যাওয়া-আসায় কোনো খরচই হবে না। অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়তো মাসে ১ হাজারের মতো খরচ ধরে রাখতে পারেন।

৫) মোবাইল ফোন বিল: মোবাইল ফোন বিল নির্ভর করছে শিক্ষার্থীর ব্যবহারের উপর। এটা ব্যবহারভেদে ৯০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত যেতে পারে।

৬) বই ও অন্যান্য স্টেশনারি সামগ্রী: প্রতিমাসে এই বাবদ দেড় হাজার টাকার মতো খরচ পড়তে পারে। তবে এটা নির্ভর করে আপনি কোন কোর্সে ভর্তি হয়েছেন এবং সেখানকার অ্যাসাইনমেন্ট সংখ্যা ও আকারের উপর।

৭) ব্যক্তিগত খরচ: এতকিছুর পর হাতখরচ হিসেবে আপনি মাসে ২-৩ হাজারের মতো টাকা রাখতে পারেন।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

মালয়েশিয়ায় পড়াশোনার জন্য আপনাকে বেশ কিছু জিনিস মাথায় রেখে এরপর আবেদন করতে হবে। এসব জিনিস তথা যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ভর করছে আপনি কোন লেভেলের জন্য আবেদন করতে চাচ্ছেন এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাচ্ছেন তার উপর।

১) ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা

ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টের ফলাফল (IELTS/TOEFL) জমা দিতে হবে। এটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রোগ্রামভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে।

২) প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা

আন্ডারগ্র্যাজুয়েট

ব্যাচেলর লেভেলে আবেদন করতে একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই এইচএসসি বা সমমান পাস করতে হবে। সেই সাথে পঠিত বিষয় এবং জিপিএ’র বাধ্যবাধকতা তো আছেই। যেহেতু আন্ডারগ্যাড স্কুলগুলোতে সিট সংখ্যাই থাকে কম, ফলে সেখানে সুযোগ পেতে ভালোই প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়।

গ্র্যাজুয়েট

মালয়েশিয়ায় মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করতে একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করতে হবে এবং তিনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে চান সেখানকার চাহিদানুযায়ী কাগজপত্র সরবরাহ করতে হবে।

ডক্টরাল

ডক্টরেট ডিগ্রির প্রোগ্রামে আবেদন করতে একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই মাস্টার্স ডিগ্রির সম্পন্ন করতে হবে। সেই সাথে তারা যে বিষয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন তা চালিয়ে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তাত্ত্বিক জ্ঞানও থাকতে হবে।

৩) আর্থিক সক্ষমতা: একজন শিক্ষার্থী মালয়েশিয়ায় পড়তে আসার আগে অবশ্যই তার উচিত হবে এই প্রোগ্রামে তার কত খরচ হতে পারে সেই সম্পর্কে ভালোমতো জেনে নেয়া। এজন্য একজন শিক্ষার্থী যে অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম সেটার প্রমাণপত্রও জমা দিতে হবে।

৪) প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

> পাসপোর্টের ফটোকপি (মালয়েশিয়ায় প্রবেশের দিন থেকে পরবর্তী কমপক্ষে ১ বছর পর্যন্ত এর মেয়াদ থাকতে হবে)

> ইংরেজিতে দক্ষতার সার্টিফিকেট (IELTS/TOEFL)

> শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ফলাফলের সার্টিফাইড কপি

> আইডি কার্ডের ফটোকপি

> সিভি

> স্টেটমেন্ট অফ পারপাস

> দুটো একাডেমিক রেফারেন্স

> ৪-৬ কপি ছবি (৩৫X৫০)

> স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট

আপনি যদি উচ্চশিক্ষার্থে মালয়েশিয়ায় যাবার চিন্তা করে থাকেন, তাহলে আপনি ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। আর এজন্য আপনার পাশে আছে ওয়াইএসআই বাংলা লিমিটেড। আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে। মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিয়ে গড়ে তুলুন আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার। আমাদের সাথে যোগাযোগের জন্য পূরণ করে ফেলুন নিচের ফর্মটি:

যেকোনো বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে: +8801685456708

Comments
Comments

Comments are closed.