প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর অবস্থানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রোধে চার পদক্ষেপ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা থেকে এসব পদক্ষেপ কার্যকর করা হবে।
  • নতুন চার পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে- শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে একই জেলার প্রশ্ন প্রণয়ন ও প্রিন্টিং কাজের জন্য কাউকে দায়িত্ব দেয়া হবে না। অন্য জেলায় কর্মরতদের দিয়ে এসব কাজ করা হবে। আগের মতো আর অভিন্ন প্রশ্ন সেট দিয়ে দ্বিতীয় ধাপে (২৬ জেলা) পরীক্ষা নেয়া হবে না। দুই বা তিনটি জেলায় একটি অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া হবে।
  • দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থীকে কান ঢেকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। যদি কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রেও কান ঢেকে রাখেন তবে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার দিন ২৬ জেলার সব কেন্দ্রের ভেতরে-বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে র‌্যাব, এনএসআইসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের চিঠি দিয়ে নিরাপত্তা বাড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে।
  • দ্বিতীয় ধাপে শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের মধ্যে রয়েছে- মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, নরসিংদী, জামালপুর, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, রাজবাড়ী, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, নীলফামারী, নাটোর, লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও। এই ২৬টি জেলায় প্রায় ৬ লাখ প্রার্থী রয়েছে।
  • গত ২৪ মে প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৩১ মে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা আয়োজন করার প্রস্তুতি চলছে। এ ধাপে দেশের ২৬ জেলায় প্রায় ৬ লাখ প্রার্থী অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।
Comments
Comments

Comments are closed.