বিভিন্ন পদে নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ আগস্ট, ২০১৯

প্রতিষ্ঠান

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
স্থানীয় সরকার বিভাগ

পদ-পদসংখ্যা-বেতন

  • সহকারী প্রকৌশলী (পুর) – ০৫ জন – ২২,০০০/– থেকে ৫৩,০৬০/– টাকা
  • উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পুর) – ১০ জন – ১৬,০০০/– থেকে ৩৮,৬৪০/– টাকা
  • উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) – ০৫ জন – ১৬,০০০/– থেকে ৩৮,৬৪০/– টাকা
  • কানুনগো – ০১ জন – ১১,০০০/– থেকে ২৬,৫৯০/– টাকা
  • উচ্চমান সহকারী কাম-হিসাব রক্ষক – ০৫ জন – ১০,২০০/– থেকে ২৪,৬৮০/– টাকা
  • মেশিন অপারেটর – ১৬ জন – ৯,৭০০/– থেকে ২৩,৪৯০/– টাকা
  • মেকানিক – ০৪ জন – ৯,৩০০/– থেকে ২২,৪৯০/– টাকা
  • হিসাব সহকারী – ০৯ জন – ৯,৩০০/– থেকে ২২,৪৯০/– টাকা
  • অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক – ২৪ জন – ৯,৩০০/– থেকে ২২,৪৯০/– টাকা
  • অভ্যর্থনাকারী – ০১ জন – ৯,৩০০/– থেকে ২২,৪৯০/– টাকা
  • অটো ইলেক্ট্রিশিয়ান – ০৩ জন – ৯,৩০০/– থেকে ২২,৪৯০/– টাকা
  • সহকারী ওয়েল্ডার – ০২ জন – ৮,৮০০/– থেকে ২১,৩১০/– টাকা

আবেদনের শেষ সময় 

৩০ আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ০৫:০০ টার মধ্যে

আবেদনের নিয়মসহ বিস্তারিত জানতে নিচের বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন
সব সময় চাকরির খবরের আপডেট পেতে ক্লিক করুন এখানে।
ওয়াইএসআই বাংলা জবসে আজই আপলোড করুন আপনার সিভি। রেজিস্ট্রেশনের জন্য ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার দক্ষিণাঞ্চল পরিচালনার জন্য নিয়োজিত স্থানীয় সরকার সংস্থা। এটি বাংলাদেশের একটি নগরপ্রশাসন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। সার্বিকভাবে ঢাকা শহরের দক্ষিণভাগ পরিচালনের দায়িত্বে রয়েছে এই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। অধুনালুপ্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বিভাজিত হয়ে একাংশ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ৫৭টি ওয়ার্ড এবং ১৯টি ওয়ার্ডের (মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন) সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।

দক্ষিণ ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী। মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত করেন। বাংলার সুবেদার ইসলাম খাঁ ঢাকার উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন। এই সময় গরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অট্রালিকা গড়ে ওঠে শুরু করে। নগরবাসীর কল্যাণে মোঘল সুবেদারগণ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করেন যার মধ্যে চকবাজার থেকে সূত্রাপুরের লোহারপুল পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ইটের রাস্তা নির্মাণ, সৈয়দ আওলাদ হোসেন লেনের মসজিদ নির্মাণ, ঢাকার বর্তমান কেন্দ্রীয় কারাগার যা একটি দুর্গ ছিল তা ইসলাম খান পুনঃনির্মাণ করেছিলেন। এই সময় শৌর্যবীর্যের দিক দিয়ে ঢাকা পৃথিবীর ১২তম অবস্থানে ছিল।

১৭৫৭ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার শাসনভার গ্রহণ করার পর ঢাকা নগরীর উন্নয়ন ব্যহত হয়। কোম্পানী নগরবাসীকে কোন সুযোগ সুবিধা না দিয়ে লুণ্ঠনে ব্যস্ত থাকে। এভাবেই কিছু সময় চরম অব্যবস্থাপনায় অতিবাহিত হয়। মোঘল আমলে শহরের প্রশাসনিক কাজকর্ম যেমন: শান্তিরক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি ও নৈতিক মানরক্ষাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব ছিল সরকারের। কিন্তু ১৭৭২ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর পুনর্বিন্যাসের ফলে একজন ইউরোপীয় ম্যাজিস্ট্রেট শহরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনোনীত হন। ১৮১৩ সালে ম্যাজিস্ট্রেট জেমস ওল্ডহ্যামের অনুরোধে সরকার গঠন করা হয়। ১৮২৩ সালে নগর উন্নয়নে গঠন করা হয় কমিটি অব ইমপ্রূভমন্ট। এই কমিটি উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কাজ করে এবং ১৮২৯ সালের নভেম্বরে কমিটি ভেঙ্গে যায়। পরবর্তিতে ১৮৪০ সালে সরকার ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন। যা ১৮৪০ থেকে ১৮৬৪ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এই কমিটির কোন উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কাজের কথা জানা যায়নি।

অবশেষে ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়। ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি অ্যাক্ট নামে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’। ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।

ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ করতেন লেফট্যানেন্ট গভর্নর, ডিভিশনাল কমিশনার, ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী প্রকৌশলী ও সিভিল সার্জন ছিলেন পদাধিকার বলে সভাপতি।

কমিশনারের সংখ্যা ছিল ১৪ থেকে ২৩ পর্যন্ত। জেল ম্যাজিস্ট্রেট মি. স্কিনার পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষক জর্জ বিলার্ট ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান। প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন আনন্দ চন্দ্র রায়চৌধুরী ও ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন জনাব খান আব্দুল্লাহ।

১৮৮০ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে ঢাকার নবাব ও অন্যান্য ধনাঢ্য ব্যক্তির সহায়তায় ঢাকায় পানি ও বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা করা হয়। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোকে পৌরসভা বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছিল। পৌরসভার পাশাপাশি ছিল নবাবদের নিয়ন্ত্রিত পঞ্চায়েত। মহল্লার পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচিত হত সমাজের বিত্তবানরা। তাদের প্রধান কাজ ছিল সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা করা। ১৯৩২ সালে ঢাকা পৌরসভার জন্য নতুন অ্যাক্ট প্রবর্তন করা হয় যা ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।

১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান যুক্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা হল পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী। তখন ঢাকার লোকসংখ্যা ছিল মাত্র ২ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রাদেশিক রাজধানীর পদমর্যাদা পাওয়ার পর ঢাকার গুরুত্ব বেড়ে যায়। ফলে শহরের পুনঃবিন্যাস অপরিহার্য হয়ে পড়ে। ১৯৪৭ সালের শেষের দিকে সরকার ঢাকা পৌরসভা বাতিল ঘোষণা করে। এরপর ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত পৌরসভায় কোন নির্বাচন না হওয়ায় সরকার মনোনীত ব্যক্তিবর্গই ঢাকা পৌরসভার কাজ পরিচালনা করতেন। ১৯৬০ সালে সরকার মিউনিসিপ্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অর্ডিন্যান্স জারি করেন। এই অর্ডিন্যান্সে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের স্থলে সরকারি পদস্থ কর্মকর্তাকে মনোনয়নদানের আদেশ দেয়া হয়। তবে ভাইস চেয়ারম্যান পদটি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্য থেকেই নির্বাচনের বিধি বহাল থাকে। ঢাকা পৌরসভা পূর্বে সাতটি ওয়ার্ডে বিভক্ত ছিল। পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে সরকার এই পৌরসভার ২৫টি ইউনিয়নকে ৩০টি ইউনিয়নে বিভক্ত করে এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের ঢাকা পৌরসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন। পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সরকারি ও বেসরকারি ব্যক্তিকে মনোনীত কমিশনার বা সদস্য করা হয়। ১৯৬১ সালে ঢাকার লোকসংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ ৫০ হাজার ১৪৩ জন।

১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দেশের স্বাধীনতা অর্জনের সাথে সাথে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে ঢাকা শহরের গুরুত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। ১৯৭৪ সালে ঢাকার লোকসংখ্যা ছিল ১৬ লক্ষ হাজার ৪৯৫ জন। এরই প্রেক্ষাপটে ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়। ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়। পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল করর্পোরেশনের মেয়র নামে পরিচিতি পায়। এই সময় ৫০ জন নির্বাচিত কমিশনারসহ ৫ জন মনোনীত কমিশনার রাখার বিধান ছিল। ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত তৎকালীন মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের প্রথম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮১ সালে ঢাকার লোকসংখ্যা ছিল ৩৪ লক্ষ ৪০ হাজার ১৪৭ জন। ১৯৮২ সালে মিরপুর এবং গুলশান পৌরসভাকে বিলুপ্ত করে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করর্পোরেশেনের আওতায় নিয়ে আসা হয় এবং ঢাকা নগরীকে মহানগরীতে রূপান্তরিত করা হয়। এর ফলে ওয়ার্ডের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৬টি। আয়তন ও জনসংখ্যা বাড়তে থাকায় ১৯৮৩ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের দায়িত্বের পরিধি এবং ওয়ার্ডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৫টি।

১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন করা হয় এবং জনসেবার মান ও কার্যক্রম উন্নত ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরীকে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে ১০টি আঞ্চলিক কার্যাালয়ে বিভক্ত করা হয়। ১৯৯১ সালে ঢাকার লোকসংখ্যা ছিল ৬৮ লক্ষ ৪৪ হাজার ১৩১ জন। ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন ৭৫টি ওয়ার্ড থেকে ৯০টি ওয়ার্ডে উন্নীত হয় এবং প্রথম জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসেবে জনাব মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৯০ জন ওয়ার্ড কমিশনারও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৯০ জন নির্বাচিত ওয়ার্ড কমিশনার ছাড়াও ১৮ জন মনোনীত মহিলা কমিশনারের বিধান ছিল। ২০০১ সালে সরকারি এক গেজেটে সংরক্ষিত আসনে মহিলা কমিশনারের সংখ্যা ১৮ থেকে বাড়িয়ে ৩০-এ উন্নীত করা হয়। তখন ঢাকার লোকসংখ্যা ছিল ১ কোটি ৭ লক্ষ ১২ হাজার ২০৬ জন। ২০০২ সালে এমপি জনাব সাদেক হোসেন খোকা নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত মেয়র হন এবং ৩০টি মহিলা সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়। বর্তমানে ঢাকা মহানগরীর জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ।

নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ৩০শে নভেম্বর সরকার এক অধ্যাদেশে বলা হয় ঢাকা সিটি করপোরেশনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নামে দুইভাগে বিভক্ত করে দুইটি সেনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু আইনী জটিলতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। ২০১৫ সালের ২৮ মার্চ মেয়র পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ৬ মে ২০১৫ সালে নবনির্বাচিত মাননীয় মেয়র শপথ গ্রহণ করেন।

প্রতি ৫ বছর অন্তর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে একজন মেয়র এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে কমিশনার নির্বাচন করা হয়। মেয়র সিটি কর্পোরেশনের কার্যনির্বাহী প্রধান হিসাবে কাজ করেন। মেয়রের অনুপস্থিতিতে সিটি কর্পোরেশন এর কার্যপরিচালনার জন্য একজন প্রশাসক থাকেন। প্রতি ১৮০ দিনের জন্য সরকার কর্তৃক এই প্রশাসক নিযুক্ত হন। এছাড়াও মহিলাদের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে সংরক্ষিত কমিশনার পদ রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে আছেন একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি সরকার কর্তৃক মনোনিত হন। কর্পোরেশনের যাবতীয় কার্যসম্পাদনের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া ।

Comments
Comments

Comments are closed.