অষ্টম শ্রেণী পাসে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলো বাংলাদেশ চা বোর্ড

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ জুলাই, ২০১৯

প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ চা বোর্ড

পদ

নিরাপত্তা প্রহরী

পদসংখ্যা

০১টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা

অষ্টম শ্রেণী পাস

বেতন

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ২৫০/- টাকা (দৈনিক মজুরি) [দৈনিক হাজিরাভিত্তিক]

আবেদনের শেষ সময় 

৩০ জুলাই, ২০১৯

আবেদনের নিয়মসহ বিস্তারিত জানতে নিচের বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন
আরও জব নিউজ পেতে ক্লিক করুন এখানে
সব সময় চাকরির খবরের আপডেট পেতে ক্লিক করুন এখানে।
ওয়াইএসআই বাংলা জবসে আজই আপলোড করুন আপনার সিভি। রেজিস্ট্রেশনের জন্য ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বাংলাদেশ চা বোর্ড

বাংলাদেশ চা বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ এর অধীনে ১৯৫১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান টি বোর্ড গঠন করা হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ০৪ জুন ১৯৫৭ সাল থেকে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তৎকালীন টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৯ সালের ০৮ আগস্ট পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ বাতিল করে টি বোর্ড পরিচালনার লক্ষ্যে চা অধ্যাদেশ ১৯৫৯ জারী করা হয়।

১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশ-১৯৫৯ বাতিল করে চা অধ্যাদেশ -১৯৭৭ জারী করা হয় এবং এ অধ্যাদেশের অধীনে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। ০১ আগস্ট ২০১৬ তারিখে এক গেজেটের মাধ্যমে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ রহিত করে সরকার চা আইন-২০১৬ জারী করেন।বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে চা শিল্পের উন্নয়ন তথা চায়ের উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানী বৃদ্ধির জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, নতুন চা বাগান প্রতিষ্ঠা ও পরিত্যাক্ত চা বাগান পুর্নবাসন, বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের উপর উপ-কর আরোপ এবং তার সহায়ক অন্যান্য বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন ও সামগ্রিকভাবে চা শিল্পের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা।

একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যেটি চা উৎপাদন, নিয়ন্ত্রণ এবং চা উৎপাদনে উৎসাহমুখী নীতি প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করে। এটি নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশে অবস্থিত।  মেজর জেনারেল মোঃসাফিনুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান চেয়ারম্যান।  ১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই বোর্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, শেখ মুজিবুর রহমান, এই বোর্ডের একজন প্রাক্তন চেয়ারম্যান ছিলেন। বাগানের সবুজ চা পাতা শ্রমিকদের হাত ঘুরে কারখানায় প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে কিভাবে ভোক্তার কাছে আসে তা তুলে ধরতে, দেশে প্রথমবারের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় চায়ের প্রদর্শনী ‘বাংলাদেশ টি এক্সপো’ ২০১৭।

বাংলাদেশ চা বোর্ড এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। বাংলাদেশের চা শিল্পকে পরিচিত করতে একটি মাধ্যম গড়ে তোলা এবং দেশে-বিদেশে চা প্রেমীদের কাছে এ শিল্পকে তুলে ধরাই এ প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য। এ প্রদর্শনীতে ৩০টি প্যাভিলিয়ন এবং ১৬টি স্টল অংশগ্রহণ করে। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার পুষ্পগুচ্ছ হলে ২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই প্রদর্শনী চলে। বাংলাদেশ চা বোর্ডের এই আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিল- সিটি গ্রুপ, ডানকান ব্রাদার্স বাংলাদেশ লিমিটেড, ফিনলে টি, এইচআরসি, ইস্পাহানী এবং সিলোন টি।

সূত্র: উইকিপিডিয়া।

Comments
Comments

Comments are closed.