হিসাব রক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

আবেদনের শেষ সময়: ০২ অক্টোবর, ২০১৯

প্রতিষ্ঠান

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

পদ

হিসাব রক্ষক

পদসংখ্যা

০১টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা

বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক ডিগ্রী

বেতন

১০,২০০/– থেকে ২৪,৬৮০/– টাকা

আবেদনের শেষ সময় 

০২ অক্টোবর, ২০১৯ অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে

আবেদনের নিয়মসহ বিস্তারিত জানতে নিচের বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন
সব সময় চাকরির খবরের আপডেট পেতে ক্লিক করুন এখানে।
ওয়াইএসআই বাংলা জবসে আজই আপলোড করুন আপনার সিভি। রেজিস্ট্রেশনের জন্য ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর একটি নবসৃষ্ট সরকারি প্রতষ্ঠিান। ২০১৫ সালের আগস্ট মাস হতে কাকরাইলের জাতীয় স্কাউট ভবনে সম্পূর্ণ ভাড়া অফিসে এ দপ্তরের কার্যক্রম শুরু হয় । স্বল্প পরসিরে অফসি কার্যক্রম ঠিকমত পরিচালিত না হওয়ায় এবং কর্মকর্তাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বর্তমানে ১৪,০৪৭ বর্গফুট বিশিষ্ট ইস্কাটনের রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ারে (তৃতীয় তলা) ভাড়ার ভিত্তিতে এ দপ্তরের কার্যক্রম চলছে ।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৭৬১৮ টি এমপিও ভূক্ত মাদরাসায় ১,৪৭,৮০০ জন শিক্ষক ও কর্মচারীদের  প্রতি মাসে বেতন ও ভাতা দেয়া হচ্ছে। মাদরাসা শিক্ষা অধদিপ্তররে মাধ্যমে ১৫১৯ টি এবতদোয়ী মাদরাসায় ৪,৫২৯  জন শক্ষিকদরে অনুদান  দয়ো হচ্ছে।

এই বিপুল সংখ্যক মাদরাসা, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের প্রশাসনিক এবং একাডেমিক বিষয়ে মনিটরিং এর সার্বিক দায়িত্ব মাদরাসা শিক্ষা  অধদিপ্তরের। এ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক অধিক্ষেত্র সমগ্র বাংলাদশ। এমপওিভূক্তকরণ, শিক্ষক এমপওিভূক্তকরণসহ মাদরাসা শিক্ষার একাডেমিক এবং কাঠামোগত উন্নয়নরে ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে পরার্মশ দেয়া এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা এ অধদিপ্তরের প্রধান কাজ।

মাদরাসা শিক্ষা অধদিপ্তররে মাধ্যমে ১৫১৯ টি এবতদোয়ী মাদরাসায় ৪,৫২৯  জন শক্ষিকদরে অনুদান  দয়ো হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যক মাদরাসা, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের প্রশাসনিক এবং একাডেমিক বিষয়ে মনিটরিং এর সার্বিক দায়িত্ব মাদরাসা শিক্ষা  অধদিপ্তরের। এ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক অধিক্ষেত্র সমগ্র বাংলাদশ। এমপওিভূক্তকরণ, শিক্ষক এমপওিভূক্ত করণ সহ মাদরাসা শিক্ষার একাডেমিক এবং কাঠামোগত উন্নয়নরে ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে পরার্মশ দেয়া এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা এ অধদিপ্তরের প্রধান কাজ।

১৯৪৭ সালে আলিয়া মাদরাসা কলকাতা থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। ঢাকায় দাপ্তরিকভাবে মাদরাসা-ই আলিয়া ঢাকা নামে পরিচালিত হলেও ঢাকা আলিয়া নামেই অধিক পরিচিত। ঢাকা আলিয়া মাদরাসার প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন খান বাহাদুর মাওলানা জিয়াউল হক।

বর্তমানে ঢাকা আলিয়ার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন প্রফেসর সিরাজ উদ্দিন আহমাদ। কলকাতা আলিয়া ঢাকায় স্থানান্তরিত হলেও কলকাতায় এখনো আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় নামে মাদরাসা বিদ্যমান রয়েছে।

ঢাকায় স্থানান্তরেরর পর প্রথমে লক্ষ্মীবাজারে ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমানে কবি নজরুল সরকারি কলেজ)-এ মাদরাসার কার্যক্রম চলতে থাকে। পরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খান ১৯৫৮ সালের ১১ মার্চ ঢাকার বকশীবাজারে মাদরাসার চারতলাবিশিষ্ট নতুন ভবন ও ছাত্রাবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে ১৯৬১ সালে লক্ষ্মীবাজার থেকে বকশীবাজারে নিজস্ব ভবনে মাদরাসা স্থানান্তরিত হয়।

২০০৬ সালে ফাজিল এবং কামিলকে ডিগ্রি এবং অনার্সের সরকারি মান ঘোষণা দেয়ার পর ঢাকা আলিয়া মাদরাসা কুষ্টিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত হয়। বর্তমানে ঢাকা আলিয়াসহ দেশের সব আলিয়া মাদরাসাকে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়েছে।

সরকারি মুস্তাফাবিয়া আলিয়া মাদ্‌রাসা, বগুড়া অবস্থিত উত্তরবঙ্গের একমাত্র সরকারি ও স্বনামধন্য ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাদ্‌রাসা  শিক্ষা অধিদপ্তরের  অধীনস্থ  একটি কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদ্‌রাসা।

শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিক ও জোরদার করতে বর্তমান সরকার ২০১৫ সালে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করে। বিভিন্ন স্তরের পাঁচ হাজার ২১০টি মাদরাসা কে শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে আধিভুক্ত করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসার (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) সংখ্যা তিন হাজার ৪৩৩টি। দাখিল মাদ্রাসার (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) সংখ্যা ছয় হাজার ৫৯৩টি। আলিম মাদ্রাসার (একাদশ ও দ্বাদশ শেণি) সংখ্যা এক হাজার ৫৫৮টি। কামিল মাদ্রাসার (মাস্টার্স/স্নাতকোত্তর) সংখ্যা ২১৯টি।

সুত্রঃ পরিবেশ অধিদপ্তর-এর ওয়েবসাইট।

Comments