বেসামরিক পদে সুবিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

আবেদনের শেষ সময়: ২২ আগস্ট, ২০১৯

প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

পদ-পদসংখ্যা

  • মেসওয়েটার – ৩৯ জন
  • পরিচ্ছন্নতা কর্মী – ৪২ জন
  • ইউএসএম/শ্রমিক – ১০২ জন
  • বার্তাবাহক – ৪০ জন
  • অফিস করণিক – ৫৫ জন
  • বাবুর্চি – ২৭ জন
  • টেইলার – ২২ জন
  • ইএন্ডবিআর – ০৩ জন
  • লস্কর – ০৪ জন
  • গ্রীজার – ০১ জন
  • সহকারী বাবুর্চি – ০৯ জন
  • সহকারী সুপারভাইজার – ০১ জন
  • উচ্চমান করণিক – ০২ জন
  • কেমিস্ট – ০১ জন
  • মেকানিক – ০১ জন
  • কার্পেন্টার – ১৪ জন
  • এমটি ড্রাইভার – ১২ জন
  • হেড মেকানিক – ০১ জন
  • নিরাপত্তা প্রহরী – ২৭ জন
  • মালী -০২ জন
  • এসএএসআই – ০৪ জন
  • এসএস-২ – ০১ জন
  • ড্রাফটসম্যান – ০১ জন
  • ফায়ার ক্রু – ০৮ জন
  • পেইন্টার – ১২ জন
  • ওয়ার্ডবয় – ০৩ জন
  • আয়া – ০১ জন
  • টিনস্মীথ – ০১ জন
  • স্টোরম্যান – ৩২ জন
  • ভিএফএ – ০৩ জন
  • ইলেকট্রিশিয়ান – ১২ জন
  • মিল্ক রেকর্ডার – ০২ জন
  • ক্ল্যাসিফায়ার – ০১ জন
  • অটো ইলেকট্রিশিয়ান – ০১ জন
  • বেঞ্চ ফিটার (এসএস-২) – ০৩ জন
  • ওয়েল্ডার (এসএস-২) – ০৪ জন
  • কার্পেন্টার (এসএস-২) – ০২ জন
  • ভিউয়ার – ২০ জন
  • গোয়ালা – ২০ জন
  • ফায়ারম্যান – ০২ জন
  • ক্যাশিয়ার (উচ্চমান) – ০২ জন
  • মেশন (এসএস-২) – ০২ জন
  • সুপারভাইজার – ০৩ জন
  • আর্মোরার (এসএস-২) – ০১ জন
  • ইনসেমিনেটর – ০২ জন
  • প্লান্ট অপারেটর – ০২ জন
  • ক্যাটালগার – ০১ জন
  • প্যাকার – ০১ জন
  • সিকিউরিটি ইন্সপেক্টর/নিরাপত্তা পরিদর্শক – ০৩ জন
  • আর এ-২ – ০১ জন
  • পাম্প অপারেটর – ০৪ জন
  • ফিটারগান (এসএস-২) – ০১ জন
  • পেইন্টার (এসএস-২) – ০২ জন
  • মেশিনিস্ট (এসএস-২) – ০৭ জন
  • ইলেক্ট এমডি (এসএস-২) – ০১ জন
  • ফটোকপি অপারেটর/গেস্টেটনার অপারেটর – ০২ জন
  • ব্লাক স্মীথ (এসএস-২) – ০১ জন
  • এক্সচেঞ্জ অপারেটর/টেলিফোন অপারেটর – ১০ জন
  • ফিটার এমভী (এসএস-২) – ০৭ জন
  • ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট/ল্যাব সহগামী – ০৪
  • টিন এন্ড কপার স্মীথ (এসএস-২) – ০২ জন
  • ফার্ম লেবার (কাউ অ্যাটেন্ড্যান্ট/কাফ অ্যাটেন্ড্যান্ট/ক্লিনার) – ১১ জন
  • সিভিল মেকানিক ড্রাইভার – ০২ জন
  • ট্রাক্টর/মেকানিক ট্রান্সপোর্ট ড্রাইভার – ০১ জন

পদ-পদসংখ্যা-বেতন

  • গোয়ালা – ০৮ জন – ৮,৫০০/- থেকে ২০,৫৭০/- টাকা

বেতন

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১২তম হইতে ২০তম গ্রেড

আবেদনের শেষ সময়

২২ আগস্ট, ২০১৯

আবেদনের নিয়মসহ বিস্তারিত জানতে নিচের বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন
সব সময় চাকরির খবরের আপডেট পেতে ক্লিক করুন এখানে।
ওয়াইএসআই বাংলা জবসে আজই আপলোড করুন আপনার সিভি। রেজিস্ট্রেশনের জন্য ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর স্থল শাখা। এটি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্ববৃহৎ শাখা। সেনাবাহিনীর প্রাথমিক দায়িত্ব হচ্ছে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অখণ্ডতা রক্ষা সহ সব ধরনের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহায়তায় প্রয়োজনীয় শক্তি ও জনবল সরবরাহ করা। সেনাবাহিনীর সব ধরনের কর্মকান্ড সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সেনা শাখা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রাথমিক দায়িত্বের পাশাপাশি যেকোন জাতীয় জরুরি অবস্থায় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় এগিয়ে আসতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সাংবিধানিক ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। কিন্তু ক্ষমতায় থাকা সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায় যার ফলস্বরূপ অসন্তোষ ছড়িয়ে পরে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট শুরুর মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের বেসামরিক জনগণের উপর ঝাঁপিয়ে পরে। পাকিস্তানি বাহিনী এবং এর সহযোগী আধাসামরিক বাহিনী হাজার হাজার সামরিক-বেসামরিক মানুষ হত্যা করে। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা প্রচারিত হয়। মার্চ মাসেই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা বিদ্রোহ করে এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর) সৈন্যরাও সশস্ত্র প্রতিরোধে অংশ নেয়।

সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি বেসামরিক জনগণ মিলে গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। ১৭ এপ্রিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় এবং কর্ণেল (অব:) মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে বাংলাদেশ বাহিনীর নেতৃত্বদানের দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৭১ সালের ১১-১৭ জুলাই সেক্টর কমান্ডার্স কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এই কনফারেন্সে লে: কর্ণেল আব্দুর রবকে চিফ অফ স্টাফ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকারকে ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ এবং মেজর এ আর চৌধুরীকে অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ অফ স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে বাংলাদেশ বাহিনী কমান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।

কনফারেন্সে বিভিন্ন সেক্টরের গঠন এবং বিন্যাস, সেক্টরের সমস্যা, বিভিন্ন কৌশলগত দিক এবং বাংলাদেশ বাহিনীর জনবল বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হয়। এই কনফারেন্সে বাংলাদেশকে এগারটি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং প্রত্যেক সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ দেয়া হয়। সেক্টরের সকল কর্মকাণ্ড সেক্টর কমান্ডার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হত। নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে কিছু সেক্টরকে একাধিক সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ১০ নম্বর সেক্টর ছিল সরাসরি বাংলাদেশ বাহিনীর প্রধানের অধীনস্ত এবং এই সেক্টরের জনবল ছিল প্রধানত নৌ কমান্ডোগণ।

২১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ বাহিনীর সামরিক সদস্যদের নিয়ে। প্রতিষ্ঠার পর মুক্তিবাহিনীর গেরিলা যুদ্ধের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী প্রথাগত যুদ্ধ শুরু করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ এবং ভারতের যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ৯ মাসব্যাপী চলা স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।

সূত্র: উইকিপিডিয়া।

Comments
Comments

Comments are closed.